মোঃ ইসমাইলঃ
চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার ২ নং আলগী উত্তর ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রামের আঃ করিমের স্ত্রী সেলিনা বেগম কে কুপ্রস্তাব দেন তার বড় ভাই আঃ রহিম ছৈয়াল। সেলিনা বেগমের ভাশুর আঃ রহিম ছৈয়াল প্রতিনিয়ত তাকে কু- প্রস্তাব দিয়ে আসছে। তার প্রস্তাব গ্রহন না করায় আঃ রহিম ছৈয়াল নিজ ছোট ভাইয়ের ঘরে ঢুকে মারধর করতে থাকে। মাকে জেঠার হাত বাঁচতে গেলে সেলিনা বেগম ৫ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিকুন্নাহার পাপড়ীর উপর হামলা চালায় এতে মা ও মেয়ে গুরতর আহত হয়। আহতদের প্রথমে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
এ ঘটনাটি ঘটেছে গত ২ মার্চ রোববার রাত ৮ টায়। এ বিষয়ে সেলিনা বেগম বাদী হয়ে হাইমচর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সুত্রে ও বাদীনি সেলিনা বেগম জানাযায় আমি একজন গৃহিনী। বিবাদী আমার নিটকাত্মীয়। সম্পর্কে আমার ভাসুর হয়। আমার স্বামী আব্দুল করিম কর্মের তাগিদে নারায়নগঞ্জ বসবাস করেন। বাড়ীতে আমি আমার ০৩ মেয়ে ও ০১ ছেলে সন্তান নিয়ে থাকি। আমার স্বামীর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি নিয়া বিবাদীর সহিত দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। উক্ত বিরোধের কারনে বিবাদী প্রায় সময় আমাকে ও আমার স্বামীকে বিভিন্ন হুমকী ধমকী দিয়া আসিতেছে। ইহাছাড়াও আমার স্বামী বাড়ীতে না থাকার কারনে বর্ণিত বিবাদী আমাকে প্রায় সময়ই বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিত। আমি বিবাদীর কু-প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় বর্ণিত বিবাদী আমার উপর ক্ষিপ্ত ছিল। ঘটনার দিন ইং ০২/০৩/২০২৪ তারিখ রাত ০৮.০০ ঘটিকার সময় আমি আমার শিশু সন্তানসহ বসত ঘরে বিশ্রাম করিতেছিলাম। তখন বিবাদী আমার বসত ঘরের সামনে আসিয়া আমাকে ডাকাডাকি শুরু করে। আমি ছোট ছেলেকে দুধ পান করানোর কারনে কিছুক্ষণ পরে আসিতেছি বলিয়া জানাইলে বিবাদী ক্ষিপ্ত হইয়া উঠে এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে শুরু করে। পরে আমি ঘরের দরজা খুলে বিবাদীকে গালাগাল করতে নিষেধ করি। ইহাতে বিবাদী আরো অধিকতর ক্ষিপ্ত হইয়া উঠে এবং আমাকে উপর্যুপরী কিল ঘুষি ও লাথি মারিয়া আমার পিত্র সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে নীলা ফুল্য জখম করে। আমাকে বাঁচাতে আমার মেয়ে ভিকটিম ১নং সাক্ষী সাবিকুন্নাহার পাপড়ী আগাইয়া আসিলে বিবাদী ঘরের সামনে থাকা গাছের লাঠি দিয়া আমার মেয়েকে আঘাত করিয়া তার ডান চোখে নীলা ফুলা জখম করে এবং লাঠি দিয়া আঘাত করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে। পরে আমার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদী আমাকে এবং আমার পরিবারের লোকজনদেরকে মারধর করিবে এবং খুন করে লাশ গুম করিবে মর্মে বিভিন্ন হুমকী ধমকী প্রদান করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে উপস্থিত লোকজন আমাকে এবং আমার মেয়েকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেন এবং আমার পিতার বাড়ীতে সংবাদ দেন। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।