মেহেদী হাসানঃ
আধুনিক জামালপুরের রুপকার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপি ৬২ তম জন্মদিন উপলক্ষে মেলান্দহে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার উপজেলার জালালপুরে ফজর উদ্দিন মির্জা কাশেম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলহাজ্ব মির্জা আজম এমপির দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরআগে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন বিভিন্ন মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

জন্মদিন উপলক্ষে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন জেলা তাঁতী লীগের সাবেক আহবায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও সাবেক ছাত্রনেতা এস এম বদরুদ্দোজা (পিএফ)।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল বারেক, মেলান্দহ উপজেলা যুবলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সামছুজ্জামান মুবিন, পৌর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রভাকর বসু আকাশ, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রনয় খান রানা, উপজেলা তাঁতী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক রহুল আমিন চৌধুরী, মোস্তফা শেখ, ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন ইসরাফিল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার শুকনগরী গ্রামে মির্জা আজম জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা প্রয়াত মির্জা আবুল কাশেম এবং প্রয়াত মাতা মোছা. নূরুন্নাহার বেগম।

মির্জা আজম ১৯৬৮ সালে বালিজুড়ী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৯৭৮ সালে জামালপুর জিলা স্কুল থেকে এস. এস. সি, ১৯৮০ সালে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে এইচ. এস. সি, এবং ১৯৮৩ সালে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৭ সালে হাইস্কুলের ছাত্র থাকাকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদস্যপদ লাভ করেন এবং ১৯৮১ সালে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, ১৯৮৭ সালে জামালপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক, ১৯৯১ সালে জামালপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এবং জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ এর জামালপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, ২০০৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৮ম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ এবং ৯ম জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ ছিলেন। পরে ২০১৪ সালে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে মির্জা আজম বিবাহিত। তার স্ত্রী দেওয়ান আলেয়া আজমও একজন সমাজসেবক। মির্জা আফিয়া আজম অপি এবং মির্জা আসফিয়া আজম অমি নামে দুটি সন্তান রয়েছে এ দম্পতির।