February 4, 2023, 2:58 pm
শিরোনাম:
হাইমচরে মেঘনা একতা যুব সমাজ কল্যান সংস্থার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মেডিকেল ক্যাম্পিং শীত বস্ত্র বিতরণ। শেখ হাসিনা দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য কাজ করছে. . দীপু মনি, ফরিদগঞ্জে কাবিটার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ নিউ আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরুস্কার বিতরণ ইজতেমার মাঠের ন্যায্য অধিকার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন রাস্তায় স্পিডব্রেকার, সাইড ওয়াল ভেঙ্গে, লাল নিশানা উড়িয়ে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি কাটছে ইউপি চেয়ারম্যান! হাইমচরের চরভৈরবী ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী আখনের নিজ অর্থায়নে রাস্তা মেরামত টঙ্গীর সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজ, নবীন বরন,ওরিয়েন্টেশন ক্লাস ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে আদালতের বুঝিয়ে দেয়া জমিতে কাউন্সিলরের বাধা টঙ্গীতে গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাথে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা

ফরিদগঞ্জে বন্ধ ইটভাটা চালুর দাবীতে শ্রমিকদের গণস্বাক্ষর

স্টাফ রিপোর্টার

ফরিদগঞ্জে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি ইটভাটা চালু করতে ওই ইটভাটায় কর্মরত স্থানীয় ও চাকরি সূত্রে আসা শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা গণস্বাক্ষর যুক্ত মানবিক আবেদন করেছে জেলা প্রশাসকের কাছে। রোববার (২২ জানুয়ারি) তাদের পক্ষে জনৈক মামুনুর রহমান সবুজ এই আবেদন করেন। গণস্বাক্ষরে ৪৫০ লোকের স্বাক্ষর রয়েছে। এছাড়া এর সাথে ইটভাটার প্রয়োজনীয় সকল কাগজ সংযুক্ত করা হয়। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব, সহকারি কমিশনার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট চাঁদপুর, ফায়ার সার্ভিস ফরিদগঞ্জসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদনের অনুলিপি দিয়েছেন।
আবেদনে তারা জানান, ইতিপূর্বে পরিবেশ দূষণ রোধে ঝিঁকঝাঁক পদ্ধতির এফ এন্ড এফ নামে ইটভাটা চালু থাকার করণে সেসহ স্থানীয় বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছিল। মাঝে নানাকারণে সেটি বন্ধ হওয়ার পর সম্প্রতি স্থানীয় আলম তপদারের নামে এক ব্যবসায়ী এলাকাবাসীর অনুরোধে মা-রহমত নাম দিয়ে ইটভাটাটি পুনরায় চালু করে। এতে স্থানীয় এবং দেশের বিভিন্ন এলাকার অন্তত ৪শতাধিক লোকের নুতন করে জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা হয়। কিন্তু কাগজপত্র জটিলতার কারণে সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের পথে বসার উপক্রম হয়েছে। তাই তারা মানবিক দিক বিবেচনা করে ইটভাটাটি চালু করতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে ইটভাটায় কাজ করা দিনাজপুর জেলার বুলবুল আহমেদ জানান, তিনি ইটভাটয় দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করছিলেন। কিন্তু ইটভাটাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন। বাড়িতে টাকা পাঠানোতো দুরের কথা এখন নিজে চলতেই কষ্ট হচ্ছে।
একই জেলার দৈনিক শ্রমিক হাজিরায় কাজ করা মোত্তাকিনও একই উক্তি জানিয়ে বলেন, এখন আমাদের কি হবে। এই সময়ে আমরা বেকার হয়ে পড়েছি।
স্থানীয় মামুনুর রহমান সবুজ জানান. ইটভাটা চালু হওয়ায় তার মতো দুই শতাদিক শ্রমিকের আয়ের একমাত্র অবলম্বন ছিল এটি। এখন তারা পথে বসেছেন। এই কাজ শিখেছেন তাই অন্যকাজ করা এই সময়ে কষ্টদায়ক। কারভুলে তাদের এই দুঃখ সহ্য করতে হচ্ছে তারা জানেন না। তবে প্রয়োজনীয় অনুমতি সাপেক্ষে ইটভাটাটি চালু হলে তাদের দ্রব্যমূল্যের দুঃসময়ে কিছুটা হলেও বিপদমুক্ত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


ফেসবুক পেজ