1. haimcharbarta2019@gmail.com : haimchar :
  2. saikatkbagerhat@gmail.com : Saikat A : Saikat A
বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাইমচরে উপজেলা প্রশাসনে শোক দিবস পালন এমপি মুরাদকে অভ্যর্থনা জানাতে প্রখর রোদে দাঁড় করানো হলো শিক্ষার্থীদের ফরিদগঞ্জে সিআইপি জালাল আহমেদের উদ্যোগে শোক দিবস পালন হাইমচরে কৃষি মেলা উদ্বোধন ফরিদগঞ্জে অধিক সংখ্যক কমিউনিটি ক্লিনিকে পালন হয়নি শোক দিবস শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফরিদগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা জামালপুরে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যে দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে তারা বাঙালি জাতির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় ——– আলহাজ্ব ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া টাঙ্গাইলে একাধারে টানা সম্মাননা পুরস্কার পেলেন ডিবি দক্ষিণের (ও.সি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন। জামালপুরে জাতীয় শোক দিবস পালিত

ফরিদগঞ্জে দা বটি নিয়ে ব্যস্ত কামার শিল্পীরা

  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ৫ জুলাই, ২০২২
  • ৩৯ বার দেখা

মেহেদী হাছান ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি :

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ফরিদগঞ্জে কামাররা ব্যস্ত সময় পার করছেন দা, বটি, ছুরিসহ মাংস কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে। এসব সরঞ্জাম নতুনভাবে তৈরি এবং পুরনোগুলোতে শান দিতে ব্যস্ত কারিগররা। ঈদের দিন পর্যন্ত চলবে এমন ব্যস্ততা। তবে কয়লা, লোহাসহ সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হয় না। কিন্তু পূর্ব পুরুষের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন।

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করছেন কামাররা। প্রতিবছর কোরবানির ঈদে তাদের জিনিসপত্রের কেনা-বেচা বেড়ে যায়। এ থেকে অর্জিত টাকায় সারা বছরের খোরাক জোগাড় করেন। অথচ বছরের বেশিরভাগ সময়ই কামার শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা একপ্রকার বেকার সময় কাটান।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাপাতি, দা, বটি, চাকু, ছুরি তৈরি এবং পুরোনো অস্ত্র শান দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

প্রতিবছর কোরবানির মৌসুমে কামারদের ভালো ব্যবসা হয়। বর্তমানে প্রতিটি দা তৈরিতে প্রকারভেদে মজুরি নেওয়া হচ্ছে ২০০-৪০০ টাকা পর্যন্ত। চাকু তৈরিতে নেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা। বড় ছুড়ি তৈরিতে নেওয়া হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকা। বটি তৈরিতে নেওয়া হচ্ছে দেড়শ টাকা থেকে আড়াইশ টাকা।

সোহাগ,শরিফ,রাছেল, রুমা আক্তার, নামে কয়েজন ক্রেতারা জানান, কয়েক দিন পরেই ঈদ। গরু ও ছাগল জবাই দিতে এবং মাংস কাটতে প্রয়োজন চাকু ও ছুরির। সে কারণে বাজারে এসেছি দা, বটি ও ছুরি কিনতে। তবে গতবছরে এসব জিনিসের যে দাম ছিল তার চেয়ে এবারে দাম খানিকটা বেশি।

ফরিদগঞ্জ বাজারের কামার শিল্পের পাইকাররা জানান, সারাবছরই তারা দা, বটি, চাকু, ছুরি বিক্রি করেন। কিন্তু কোরবানির মৌসুমেই এসব সরঞ্জামের কেনা-বেচার ধুম পড়ে। এবারও ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে কয়লা ও লোহার দাম খানিকটা বেড়ে যাওয়ায় কামারদের কাছ থেকে খানিকটা বেশি দামে এসব জিনিসপত্র কিনতে হচ্ছে। যার ফলে খানিকটা বেশি দামে আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে।

ফরিদগঞ্জ বাজারের কামার দুলাল কর্মকার বলেন, প্রতি বছর কোরবানির ঈদ এলেই আমাদের দা, বটি, চাকু ও ছুরি তৈরির কাজ বাড়ে। কিন্তু তারপর সারা বছর আর এসব জিনিসের তেমন আর কাজ হয় না বললেই চলে। সব জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ায় আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।’দা, বটি, ছোরা, চাকুর পাশাপাশি মাংস বানানোর কাজের জন্য গাছের গুঁড়ির চাহিদাও বেড়েছে ব্যাপক। স্থানীয় করাতকলগুলোয় গাছের গুঁড়ি কিনতে অনেকে এখনই ভিড় জমাতে শুরু করেছেন কশাইসহ অনেকে। বর্তমানে ৫০ থেকে ২০০ টাকায় মিলছে এসব গুঁড়ি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও
হাইমচর বার্তা  ২০২২ © স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট @ Rahat IT Ltd.

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: রাহাত আইটি লিঃ