January 27, 2023, 2:09 am
শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জের পাইকপাড়ায় গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে এলজিইডির টেন্ডারকৃত রাস্তায় কাজ না করিয়ে অন্য রাস্তায় করার অভিযোগ নারায়ণপুর প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন সভাপতি আরিফ বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক হাসিব হাইমচরে শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ফরিদগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মক্তবের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ ও বিদায়ী ছাত্রদের সংবর্ধনা ফরিদগঞ্জে ডাকাতিয়া নদী অবৈধ ভাবে দখল \ উদ্ধারে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন ফরিদগঞ্জে শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিকস প্রতিযোগীতা শুরু ২৫ জানুয়ারি হাইমচরে নব-নিযুক্ত সপ্রাবি সহকারী শিক্ষকদের যোগদানে নবীন বরন ফরিদগঞ্জের চির্কা চাঁদপুর কলেজে ফেল করা শিক্ষার্থীদের তালা দেয়ার প্রতিবাদ করায় শিক্ষক লাঞ্ছিত \ শিক্ষকদের ধর্মঘট ফরিদগঞ্জে বন্ধ ইটভাটা চালুর দাবীতে শ্রমিকদের গণস্বাক্ষর

ফরিদগঞ্জে চেয়ারম্যানের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যদের সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name

মেহেদী হাছান, ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে চেয়ারম্যানের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করেছে।

১৭ জুলাই রোববার সকালে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যান মো: কাউছারুল আলম কামরুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন একই পরিষদের ৩জন ইউপি সদস্য। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ৮নং ওয়ার্ড’র ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন লিটন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ৮ জুলাই শুক্রবার পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অসহায়দের মাঝে ভিজিএফ ১০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়। চেয়ারম্যান ঐ কার্ডে নিজের ছবি ব্যবহার করে ৮নং ওয়ার্ড ব্যতিত প্রতিটি ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য-সদস্যা এবং চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত লোকদের মাধ্যমে ঐ কার্ড বিতরণ করেন। বিতরণের দিন ২নং ওয়ার্ড ও ৮ নং ওয়ার্ডের কতিপয় লোকদের কাছে ভুয়া কার্ড সনাক্ত করে পরিকল্পীতভাবে মোবাইল ফোনে ঐ কার্ডধারী লোকদের বক্তব্য রেকর্ড করেন চেয়ারম্যান নিজেই। পরে ২নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসান আলী ও ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য হিসাবে আমার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন চেয়রম্যান। এছাড়া সাংবাদকর্মীদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করান তিনি। ভিজিএফ’র চালসহ গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন’র পূর্বে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যদের নিয়ে মিটিং করার নিয়ম থাকলেও চেয়ারম্যান তা করেননি। সরকারি কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে বিতরনের নিয়ম থাকলেও ট্যাগ অফিসারের সময়কে উপেক্ষা করে ৭ জুলাই পরিবর্তে ৮ জুলাই বন্ধের দিনে চাল বিতরণ করেন। চাল বিতরনের মাষ্টার রোল করার বিদান থাকতলেও তা করা হয়নি। চেয়ারম্যান’র সাথে তার নিজের পূর্বের একটি বিরোধকে রয়েছে এবং এনিয়ে একটি মামলাও চলমান রয়েছে। তাই চেয়ারম্যান আমার নির্বাচিত এলাকা অর্থ্যাৎ ৮নং ওয়ার্ডের মানুষদের সরকারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছেন। কিছু সময় চেয়ারম্যানের চয়েজ’র আওতায় মানুষদের তিনি ওইসব সুবিধার আওতায় আনেন। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি চেয়ারম্যান কর্তৃক সনাক্ত করা ঐ ভুয়া কার্ড আমার ওয়ার্ড ছাড়াও অন্যান্য ওয়ার্ডেও বিতরণ করা হয়েছে। তাহলে এটাই প্রমানিত হয় তিনি নিজেই ছবি ও স্বাক্ষর ব্যতিক্রম করে আমাদেরকে হেয় করার জন্য এই ঘৃন্যতম কাজটি করেন। যাহা পূর্ব পরিকল্পিত ছিল। ঐ মামলার বাদী আমার স্ত্রী’র বিরুদ্ধে ভুয়া কার্ডধারী লোকের মাধ্যমে পরিকল্পিত ভাবে মোবাইলে বক্তব্য রেকর্ড করেন চেয়াম্যান।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন করার নিয়ম থাকলেও তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেননি। নিজের খেয়াল খুশিমত একতরফা ভাবে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। প্রতি মাসে সকল সদস্যদের নিয়ে মাসিক মিটিং করার বিধান থাকলেও নিয়মিত মাসিক মিটিং করেন না তিনি। যে কোন সরকারি উন্নয়ন মূলক প্রকল্প আসলে তিনি ইউপি সদস্যদের সাথে কোন রূপ সমন্বয় বা মিটিং ছাড়া নিজের খেয়াল খুশিমত বহিরাগত লোক দিয়ে নামমাত্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন। যাহা ইউপি সদস্য হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক বটে। এতে আমরা এলাকাবাসীর কাছে আমরা প্রশ্নবৃদ্ধ হই।

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে আরো অভিযোগ করেন, কাউছারুল আলম কামরুল ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, প্রত্যয়ন পত্রসহ বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেন। যার সঠিক জবাব আমরা এলাকাবাসীকে দিতে পারিনা। এতে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তী নষ্ট হচ্ছে। চেয়ারম্যানের এসকল অনৈতিক বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে তার বাহিনী কর্তৃক আমরা অপমানিত ও লাঞ্চিত হই।

সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ৪০ দিনের প্রকল্পে কোন ওয়ার্ডেই কাজ শুরু হয়নি। কিন্তু নামে বেনামে সিমকার্ড ব্যবহার করে উক্ত কর্মসূচির টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


ফেসবুক পেজ