1. haimcharbarta2019@gmail.com : haimchar :
  2. saikatkbagerhat@gmail.com : Saikat A : Saikat A
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদগঞ্জে দা বটি নিয়ে ব্যস্ত কামার শিল্পীরা সরিষাবাড়ীতে শিশুকন্যাকে শিল দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করলো মা ফরিদগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা তহবিল প্রকল্পে নিম্ন মানের ঢালাইয়ের কাজ মতলব দক্ষিণে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন সরিষাবাড়ীতে বিতর্কিত নেতা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হওয়ায় তোলপাড় হাইমচরে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামন্ট পুরস্কার বিতরণ অনলাইন ভিত্তিক ফেইসবুক ই-কমার্স গ্রুপ চট্টগ্রাম ই-শপ বিজনেস কমিউনিটির উদ্বোধন ভোগান্তী ছাড়া সেবা পাবে নগরবাসী গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন রাস্তাঘাট পরিদর্শনে, ভারপ্রাপ্ত মেয়র কিরণ বন্যার্তদের পাশে হৃদয়ে মানবতা সামাজিক সংগঠন হাইমচরে চাচা কর্তৃক প্রতিবন্ধি ভাতিজিকে ধর্ষনের অভিযোগ

ফরিদগঞ্জে কড়ৈতলী নামে মাত্র মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়ার কেউ নেই

  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ১৪ বার দেখা

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি :

চাঁদপুর ফরিদগঞ্জে উপজেলা ৮ নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন কড়ৈতলী বাজারে অবস্থিত নামে মাত্র মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং কোন কর্মকর্তা,শুধু মাত্র ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা একজন পরিদর্শক মাঝে একটু আসে। রোগীর রোগ নির্ণয়েও নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। সর্দি-কাশি, জ্বর, মাথা ব্যাথার চিকিৎসায় ভরসা স্থানীয় ফার্মেসি। ১৭ জন কর্মকর্তা থাকার কথা থাকলেও নেই দেখাশোনা করার মতো কেউ,অযত্নে-অবহেলার কারণে রাতে চলছে মাদকের আড্ডা , দিনে সিএনজি স্টেশন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে সরকারি সম্পত্তি।

স্থানীয় তরুণ সমাজসেবক রাজনীতিবিদ মামুন হোসেন জানান নাম মাত্র( মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র) ডাক্তার নেই, সরকারিভাবে কোনো তদারকি না থাকার কারণে এখন কল্যাণ কেন্দ্র টি হল মাদক সেবীদের আস্তানা, আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই এখানে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য। সাধারণ রোগীরা যেন চিকিৎসা নিতে পারে।

অপর আরেক ব্যক্তি তাফাজ্জ্বল পাটোয়ারী জানান দুঃখের সাথে বলতে হয় হাসপাতাল আছে ডাক্তার নাই, আমার মনে হয় কর্তৃপক্ষ জানেনা মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র কি? যদি জানতো কর্তৃপক্ষ এসে পরিদর্শন করে যেত । হাজার হাজার রোগীদের কষ্ট হচ্ছে, ডাক্তার দেখাতে পারছে না। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

স্হানীয় আরো কয়েকজন ব্যক্তি বলেন ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক লিপি পাল নামে একজন মাসে ২,১ দিন এসে দেখে যায় মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র আছে কি না।।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তছলিম মিয়া বলেন জনবল সংকট, এখানে আমাদের কিছু করার নেই।এই জন্য একজন ইউনিয়ন পরিদর্শক সপ্তাহে ২ দিন যায়,তবে সেখানে কোন ডাক্তার নেই।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরও
হাইমচর বার্তা  ২০২২ © স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট @ Rahat IT Ltd.

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: রাহাত আইটি লিঃ